১০০টি কবিরা গুনাহ যা আমাদের প্রতি নিয়ত হয়
মহান আল্লাহ বলেন:
إِن تَجْتَنِبُوا كَبَائِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَنُدْخِلْكُم مُّدْخَلًا كَرِيمًا
“যেগুলো স¤পর্কে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব বড় গোনাহ গুলো থেকে বেঁচে থাকতে পার।
তবে আমি তোমাদের (ছাট) গুনাহ সমূহ ক্ষমা করে দেব এবং সম্মান জনক স্থানে তোমাদের প্রবেশ করাব।” (সূরা নিসা: ৩১)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন:
الصلوات الخمس . والجمعة إلى الجمعة . ورمضان إلى رمضان . مكفرات ما بينهن إذا اجتنب الكبائر
“পাঁচ ওয়াক্ত নামায, এক জুমআ থেকে আরেক জুমআ এবং এক রামাযান থেকে আরেক রামাযান এতদুভয়ের মাঝে সংঘটিত সমস্ত পাপরাশীর জন্য কাফফারা স্বরূপ যায় যদি কবীরা গুনাহ সমূহ থেকে বেঁচে থাকা যায়।” (মুসলিম)
1.আল্লাহর সাথে শিরক করা
2.নামায পরিত্যাগ কর
3.পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া
4.অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা
5.পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা
6.যাদু-টোনা করা
7.এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা
8.জিহাদের ময়দান থেকে থেকে পলায়ন করা
9.সতী-সাধ্বী মু‘মিন নারীর প্রতি অপবাদ দেয়া
10.রোযা না রাখা
11.যাকাত আদায় না করা
12.ক্ষমতা থাকা সত্যেও হজ্জ আদায় না করা
13.যাদুর বৈধতায় বিশ্বাস করা
14.প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া
15.অহংকার করা
16.চুগলখোরি করা (ঝগড়া লাগানোর উদ্দেশ্যে একজনের কথা আরেকজনের নিকট লাগোনো)
17.আত্মহত্যা করা
18.আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা
19.অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ ভক্ষণ করা
20.উপকার করে খোটা দান করা
21.মদ বা নেশা দ্রব্য গ্রহণ করা
22.মদ প্রস্তুত ও প্রচারে অংশ গ্রহণ করা
23.জুয়া খেলা
24.তকদীর অস্বীকার করা
25.অদৃশ্যের খবর জানার দাবী করা
26.গণকের কাছে ধর্না দেয়া বা গণকের কাছে অদৃশ্যের খবর জানতে চাওয়া
27.পেশাব থেকে পবিত্র না থাকা
28.রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নামে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করা
29.মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা
30.মিথ্যা কথা বলা
31.মিথ্যা কসম খাওয়া
32.মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা
33.জিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া
34.সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া
35.মানুষের গোপন কথা চুপিসারে শোনার চেষ্টা করা
36.হিল্লা তথা চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে করা।
37.যার জন্যে হিলা করা হয়
38.মানুষের বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা
39.মৃতের উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে ক্রন্দন করা
40.মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা
41.মুসলিমকে গালি দেয়া অথবা তার সাথে লড়ায়ে লিপ্ত হওয়া
42.খেলার ছলে কোন প্রাণীকে নিক্ষেপ যোগ্য অস্ত্রের লক্ষ্য বস্তু বানানো
43.কোন অপরাধীকে আশ্রয় দান করা
44.আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু জবেহ করা
45.ওজনে কম দেয়া
46.ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা
47.ইসলামী আইনানুসারে বিচার বা শাসনকার্য পরিচালনা না করা
48.জমিনের সীমানা পরিবর্তন করা বা পরের জমি জবর দখল করা
49.গীবত তথা অসাক্ষাতে কারো দোষ চর্চা করা
50.দাঁত চিকন করা
51.সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে মুখ মণ্ডলের চুল তুলে ফেলা বা চুল উঠিয়ে ভ্রু চিকন করা
52.অতিরিক্ত চুল সংযোগ করা
53.পুরুষের নারী বেশ ধারণ করা
54.নারীর পুরুষ বেশ ধারণ করা
55.বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামনার দৃষ্টিতে তাকানো
56.কবরকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা
57.পথিককে নিজের কাছে অতিরিক্ত পানি থাকার পরেও না দেয়া
58.পুরুষের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করা
59.মুসলিম শাসকের সাথে কৃত বাইআত বা আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করা
60.ডাকাতি করাচুরি করা
61.সুদ লেন-দেন করা, সুদ লেখা বা তাতে সাক্ষী থাকা
62.ঘুষ লেন-দেন করা
63.গনিমত তথা জিহাদের মাধ্যমে কাফেরদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বণ্টনের পূর্বে আত্মসাৎ করা
64.স্ত্রীর পায়ু পথে যৌন ক্রিয়া করা
65.জুলুম-অত্যাচার করা
66.অস্ত্র দ্বারা ভয় দেখানো বা তা দ্বারা কাউকে ইঙ্গিত করা
67.প্রতারণা বা ঠগ বাজী করা
68.রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ আমল করা
69.স্বর্ণ বা রৌপ্যের তৈরি পাত্র ব্যবহার করা
70.পুরুষের রেশমি পোশাক এবং স্বর্ণ ও রৌপ্য পরিধান করা
71.সাহাবীদের গালি দেয়া
72.নামাযরত অবস্থায় মুসল্লির সামনে দিয়ে গমন করা
73.মনিবের নিকট থেকে কৃতদাসের পলায়ন
74.ভ্রান্ত মতবাদ জাহেলী রীতিনীতি অথবা বিদআতের প্রতি আহবান করা
75.পবিত্র মক্কা ও মদীনায় কোন অপকর্ম বা দুষ্কৃতি করা
76.কোন দুষ্কৃতিকারীকে প্রশ্রয় দেয়া
77.আল্লাহর ব্যাপারে অনধিকার চর্চা করা
78.বিনা প্রয়োজনে তালাক চাওয়া
79.যে নারীর প্রতি তার স্বামী অসন্তুষ্ট
80.স্বামীর অবাধ্য হওয়া
81.স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর অবদান অস্বীকার করা
82.স্বামী-স্ত্রীর মিলনের কথা জনসম্মুখে প্রকাশ করা
83.স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিবাদ সৃষ্টি করা
84.বেশী বেশী অভিশাপ দেয়া
85.বিশ্বাস ঘাতকতা করা
86.অঙ্গীকার পূরণ না করা
87.আমানতের খিয়ানত করা
88.প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া
89.ঋণ পরিশোধ না করা
90.বদ মেজাজি ও এমন অহংকারী যে উপদেশ গ্রহণ করে না
91.তাবিজ-কবজ, রিং, সুতা ইত্যাদি ঝুলানো
92.পরীক্ষায় নকল করা
93.ভেজাল পণ্য বিক্রয় করা
94.ইচ্ছাকৃত ভাবে জেনে শুনে অন্যায় বিচার করা
95.আল্লাহ বিধান ব্যতিরেকে বিচার-ফয়সালা করা
96.দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে দীনী ইলম অর্জন করা
97.কোন ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে জানা সত্যেও তা গোপন করা
98.নিজের পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করা
99.আল্লাহর রাস্তায় বাধা দেয়া
কাবীরা গুনাহের আভিধানিক অর্থ বড় গুনাহ ।
আর শারী’আতের পরিভাষায় আল্লাহ ও তাঁর রসূল যে সকল কাজ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন এবং সে সকল কাজের জন্য শাস্তির বিধান অথবা আল্লাহর রাগের কথা ঘোষণা রয়েছে, তাকে কাবীরা গুনাহ বলা হয়।
গুনাহ দু’ভাগে বিভক্ত- প্রথমত কাবীরা; দ্বিতীয়ত সাগীরা। কেউ কেউ বলেছেন, মূলত সব গুনাহই- গুনাহ, এর কোন বিভাগ নেই। তবে মুহাক্কিক উলামায়ি কিরামের মতে গুনাহ দু’প্রকার। সাগীরা গুনাহ ও কাবীরা গুনাহ।
যেমন আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ
إِن تَجْتَنِبُوا كَبَائِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَنُدْخِلْكُم مُّدْخَلًا كَرِيمًا ﴿النساء٣١﴾
যেগুলো সম্পর্কে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব বড় গোনাহ গুলো থেকে বেঁচে থাকতে পার। তবে আমি তোমাদের ক্রটি-বিচ্যুতিগুলো ক্ষমা করে দেব এবং সম্মান জনক স্থানে তোমাদের প্রবেশ করার। “।” (সূরা আন-নিসা-৩১)
কবীরা গুনাহসমূহের সংখ্যা
কুরআন ও হাদীসে কাবীরা গুনাহের পূর্ণ সংখ্যার বর্ণনা এক সাথে উল্লেখ নেই। তবে কুরআনে ও হাদীসে যে সকল গুনাহকে কাবীরা গুনাহের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে, উলামায়ি কিরাম এর সংখ্যা ৭০টি বলে বর্ণনা করেছেন। আবার তাঁদের কেউ কেউ তার সংখ্যা এর চেয়ে অধিক বলেও উল্লেখ করেছেন। এসকল কাবীরা গুনাহের মধ্যে কোনটি কোনটির চেয়ে অপেক্ষাকৃত অধিক গুরুতর।
قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَيُّ الذَّنْبِ أَكْبَرُ عِنْدَ اللَّهِ؟ قَالَ: «أَنْ تَدْعُوَ لِلَّهِ نِدًّا وَهُوَ خَلَقَكَ» قَالَ: ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ: «ثُمَّ أَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ خَشْيَةَ أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ» قَالَ: ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ: «ثُمَّ أَنْ تُزَانِيَ بِحَلِيلَةِ جَارِكَ» فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ تَصْدِيقَهَا: {وَالَّذِينَ لاَ يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلاَ يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالحَقِّ وَلاَ يَزْنُونَ وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَامًا} [الفرقان: 68] الآيَةَ আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সঃ)- কে জিজ্ঞেসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলার নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ কোনটি? উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, তোমার সন্তান তোমার সাথে খাবে এ ভয়ে তাকে হত্যা করা। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, তারপর কোনটি? রাসূলুল্লাহ (সঃ) জবাব দিলেন, প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া।[বুখারি ৬৮৬১]
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «اجْتَنِبُوا السَّبْعَ المُوبِقَاتِ» ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا هُنَّ؟ قَالَ: «الشِّرْكُ بِاللَّهِ، وَالسِّحْرُ، وَقَتْلُ النَّفْسِ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالحَقِّ، وَأَكْلُ الرِّبَا، وَأَكْلُ مَالِ اليَتِيمِ، وَالتَّوَلِّي يَوْمَ الزَّحْفِ، وَقَذْفُ المُحْصَنَاتِ المُؤْمِنَاتِ الغَافِلاَتِ»
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ ৭টি ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে তোমরা দূরে থাকবে। সাহাবীগণ জিজ্ঞেসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে ৭টি কাজ কি কি?
তিনি বললেনঃ (১) আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা; (২) যাদু করা; (৩) শারী’আতের বিধান ছাড়া কোন ব্যক্তিকে হত্যা করা, যা আল্লাহ হারাম করেছেন; (৪) ইয়াতীমের মাল ভক্ষণ করা; (৫) সুদ খাওয়া; (৬) জিহাদের ময়দান থেকে পালায়ন করা; (৭) নিরাপরাধ ও পবিত্র মুসলিম মহিলাদের নামে যিনার অপবাদ রটানো। (বুখারী ২৬৬৬, মুসলিম হাঃ ১৪৫ )
কাবীরা গুনাহ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়ঃ
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
قُلْ يَـٰعِبَادِىَ ٱلَّذِينَ أَسْرَفُوا۟ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا۟ مِن رَّحْمَةِ ٱللَّهِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ يَغْفِرُ ٱلذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ “আপনি বলুন, হে বান্দারা! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, আল্লাহর রহমাত হতে তোমরা নিরাশ হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের সব পাপ ক্ষমা করে দিবেন, তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (সূরা আযযুমার-৫৩)
মূলত একনিষ্ঠ তাওবাহর মাধ্যমে সকল গুনাহ থেকে মুক্তি লাভ করা যায় তবে এ জন্য চারটি শর্ত রয়েছে। যেমন, (১) আন্তরিকভাবে খালিস নিয়্যতের সহিত অনুতপ্ত ও লজ্জিত হওয়া; (২) ভবিষ্যতে আর ঐ গুনাহ না করার ওয়াদাহ করা; (৩) অবিলম্বে উক্ত গুনাহ একেবারেই ত্যাগ করা; (৪) গুনাহর সাথে মানুষের অধিকার জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি জীবিত থাকে তবে তার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়া এবং প্রয়োজনে তাকে বা তার উত্তরাধিকারীদেরকে সন্তোষজনক ক্ষতিপূরণ দান। এই চারটি শর্ত পালনপূর্বক ক্ষমা চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সাগীরা গুনাহ থেকেও সাবধান!
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, হে লোকসকল! তোমরা এমন সমস্ত কাজ করে থাক যা তোমাদের দৃষ্টিতে চুলের চাইতেও সূক্ষ্ণ। অথচ রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর সময়ে আমরা সেগুলোকে ধ্বংসাত্নক মনে করতাম। (বুখারী, মিশকাত হাঃ ৫১২৩)
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, হে আয়িশাহ! তুমি ঐসব গুনাহ থেকে বেঁচে থাক যেগুলোকে ক্ষুদ্র ধারণা করা হয়। কেননা, এ সমস্ত ছোট ছোট গুনাহগুলোর খোঁজ রাখার জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে (মালাইকা) নিয়োজিত রয়েছেন। (ইবনু মাজাহ, দারেমী ও বায়হাকী, মিশকাত হাঃ ৫১২৪)
মন্তব্যসমূহ